দেশীও এয়ার টু এয়ার অস্ত্র মিসাইল অতীত-বর্তমান-ভবিষৎ। All about Indian indigenous Astra Air To Air Missile-technology.

দেশীও এয়ার টু এয়ার অস্ত্র মিসাইল অতীত-বর্তমান-ভবিষৎ। All about Indian indigenous Astra Air To Air Missile-technology.
Cradit:WIKIPEDIA.COM


দেশীও এয়ার টু এয়ার অস্ত্র মিসাইল অতীত বর্তমান ভবিষৎ। All about Indian indigenous Astra Air To Air Missile-technology. 

এয়ার টু এয়ার মিসাইল [Astra Air To Air Missile] যেটা এককথায় বলা যেতে পারে বায়ু থেকে বায়ুতে টার্গেট করার জন্য পূর্ব  পরিকল্পিত ভাবে বানানো হয়ে থাকে এবং প্রধানতঃ তাদের এয়ার প্লাটফ্রম থেকে লাঞ্চ করা হয় যেমন ফাইটার প্লেন, বোম্বার প্লেন ইত্যাদি এবং তারা বিভিন্ন ভেরিয়েন্টের হয়ে থাকে। 


এয়ার টু এয়ার মিসাইলএর ইতিহাস খুবই লম্বা যেটা প্রথম ব্যবহার ব্যবহার করা হয়েছিলো প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় আনগাইডেড অস্ত্র হিসাবে পরে এগুলিকে রিসার্চএর মাধ্যমে শুধু বায়ুতে আঘাত হানার জন্য ব্যবহার করা হয়, Le Prieur rockets নামক একটি যুদ্ধ বিমান থেকে প্রথম এগুলি ফায়ার করা হতে লক্ষণীয় কিছু বেলুনের উপর পরীক্ষা চালানোর জন্য এবং যে বিমান চালক  এই পরীক্ষা চালানোর জন্য  এই মিসাইল ছুড়ে ছিলেন তার নাম Albert ball .


জার্মানি দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময় খুবই কম পয়সা এই এয়ার টু এয়ার মিসাইল বাবোনোর জন্য ইনভেস্ট করে ছিলেন কারণ তাদের R4M খুবই কার্য কর ছিল, দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ শেষ হবার পর ব্রিটিশ রয়েল এয়ার ফোর্স ১৯৫৫ তে  Fireflash নামক একটি এয়ার তো মিসাইল সার্ভিসে আনলেও সেটা ব্যার্থ হয়, পর্যাক্রমে ১৯৫৬ থেকে আমেরিকান নেভিআমেরিকান এয়ার ফোর্স বিভিন্ন গাইডেড এয়ার তো মিসাইল ডেভলোপ ও একটিভ সার্ভিসে আন্তে সক্ষম হন যেমন AIM-4 Falcon , AIM-7 Sparrow, AIM-9 Sidewinder একই সঙ্গে আমেরিকার প্রতিদ্বন্দ্বী সোভিয়েত ইউনিয়ন এয়ার ফোর্স ১৯৫৭ তে K5 নামক একটি মিসাইল আন্তে সক্ষম হন। 



দেশীও এয়ার টু এয়ার অস্ত্র মিসাইল অতীত-বর্তমান-ভবিষৎ। All about Indian indigenous Astra Air To Air Missile-technology. 



ASTRA নামটি সংস্কৃত শব্দ থেকে নেয়া যেটার মানে হয় অস্ত্র যেটা অল ওয়েদার BVR [BEYOND VISUAL RANGE] এয়ার টু এয়ার মিসাইল এটাকে ভারতের [DRDO] ডিফেন্স রিসার্চ এন্ড ডেভলপমেন্ট অর্গানিজশন তৈরি করেছেন। 

এটাকে এমন ভাবে ডিজাইন ও ডেভলোপে করা হয়েছে আকাশের যেকোনো টার্গেটকে যেকোনো উচ্চতায় এনগেজ করতে ও মুহূর্তে ধ্বংস করতে সক্ষম হয়। 

১৯৯০ সালে অস্ত্র মিসাইলের উপর কাজ শুরু করা হয় এবং ১৯৯৮ তে প্রথম এরো ইন্ডিয়া শোতে এটা পাবলিকের জনো সমক্ষে আনা হয়, শুরুতে এটার রেঞ্জ ছিলো ২৫-৪০ কিলোমিটার এবং ওজন ছিলো ৩০০ কেজি যেটাকে TEJAS MK1 এর সঙ্গে যুক্ত করার প্ল্যান ছিলো। 

এই প্রজেক্টি ডেভলপ করার জন্য ৯৫৫ কোটি টাকা বা [ US$335] অনুমোদন করা হয় ছিলো। 

 

অস্ত্র এম-ক ১ [ASTRA MK1]:


একটি [BVR] মিসাইল যেটার রেঞ্জ ৮০-১১০ কিলোমিটার এটার PROPULSION সিস্টেম হিসাবে সলিড ফুয়েল সিঙ্গেল পালস মোটর ব্যবহার করা হয় এবং এটার গাইডেন্স হিসাবে MID COURSE এ ফাইবার অপটিক জাইরো ইনেরটিয়াল ন্যাভিগেশন সিস্টেম ব্যাবহার করে থাকে সঙ্গেও ডাটালিংকের মাধ্যমে ফাইটার প্লেইনের সঙ্গে কন্ট্যাক্ট থাকে  এবং টার্মিনাল অবস্থায় একটিভ রাডার হোমিং ব্যবহার করে থাকে। 


অস্ত্র এম-ক আই-আর [ASTRA MK IR]:


অস্ত্র এমকে আই আর একপ্রকারের অস্ত্র এম কে ১ থেকে ড্রাইভ করা কিন্তু এটার SEEKER একটু আলাদা হবে যেটা এই মিসাইল টিকে [WBR] WITHIN VISUAL RANGE এ যেকোনো টার্গেটকে কাউন্টার করতে সক্ষম করবে । 
এটার SEEKER টি  INFRARED হবে যেটা এনিমি এয়ার ক্যাফটের ইঞ্জিন থেকে নির্গত হিট সেন্স করে এটা আঘাত হানতে সক্ষম হয় কিন্তু এটা সব থেকে ভালো কাজ করে [WBR] মধ্যে তাই এটার রেঞ্জ কম রাখা হবে। 


অস্ত্র এম-ক ২ [ASTRA MK2]


অস্ত্র এম কে ২ যেটা প্রথমে DRDO একটি সিঙ্গল পালস মটরের উপর নির্ভর করে বানানোর পরিকল্পনা করলেও  পরবর্তীতে এটা MR-SAM থেকে নেয়া ডুয়াল পালস মোটরের উপর বেস করে বানানোর পরিকল্পনা করেছে, যেখান এটার রেঞ্জ ১২০-১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এই ডুয়াল পালস মিসাইলের মধ্যে এক বা একাধিক চেম্বার থাকে যেখান জ্বালানি জমানো থাকে , সিঙ্গেল পালস মোটরের ক্ষেত্রে এটা একবার জ্বলতে শুরু করলে এটার জ্বালানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত জ্বলতে সক্ষম কিন্তু টার্মিনাল স্থরে এসে এটার কার্য ক্ষমতা খুবই কমে যায়, তাই ডুয়াল পালস মোটর থাকলে একটি পালস শেষ হলে সেটার স্পিড ব্যবহার করে এটা ছুতে চলবে টার্গেট পর্যন্ত  এবং টার্মিনাল স্তরে আসে এটার দৃতীয় পালসটি শুরু করবে তাই এটার কার্য ক্ষমতা কম হবার সম্বভনা নেই। 


দেশীও এয়ার টু এয়ার অস্ত্র মিসাইল অতীত-বর্তমান-ভবিষৎ। All about Indian indigenous Astra Air To Air Missile-technology.
CRADIT: defencexp.com




অস্ত্র এম-ক ৩ [ASTRA MK3]

অস্ত্র এম কে ৩ এই মিসাইলটির রেঞ্জ হতে চলেছে ৭০ থেকে ৩৬০ কিলোমিটার এবং এটা তৈরি করা হবে একটি নতুন প্রপালশন সিস্টেম দিয়ে যেটা প্রধানত দেখাযায় প্রথিবীর সব থেকে উন্নত এয়ার টু এয়ার মিসাইলের MBDA তৈরি METEOR এররের মধ্যে। 

এই মিসাইল প্রপালসন সিস্টেম টির নাম [SFDR] বা SOLID FUEL DUCTED RAMJET এটার কাজ বলতে গেলে এটার ফুয়েলর মধ্যে কোনো লিকুইড অক্সিজেন মেশানো থাকে না তাই যখন দরকার এটার স্পিড বাড়াতে বা কমাতে পারে কারণ যখন স্পিড বাড়ানো দরকার এটা এয়ার ইনটেক থেকে এয়ার COMBUSTION করে দ্রুত স্পিড বাড়িয়ে নিতে পারে টার্গেটের খুব কাছা কাছি আসলেই। 


দেশীও এয়ার টু এয়ার অস্ত্র মিসাইল অতীত-বর্তমান-ভবিষৎ। All about Indian indigenous Astra Air To Air Missile-technology.
CRADIT:space.stackexchange.com

দেশীও এয়ার টু এয়ার অস্ত্র মিসাইল অতীত-বর্তমান-ভবিষৎ। All about Indian indigenous Astra Air To Air Missile-technology.
CRADIT:blog.nextias.com



তাই অন্য সব এয়ার টু এয়ার মিসাইলের থেকে এর নো এস্কেপ জোনে খুব বেশি যেমন অস্ত্র এম কে ৩ নো এস্কেপ জোনে ১০০ কিলোমিটার। 


Post a Comment

0 Comments