এশিয়ার আকাশে ইউরোফাইটার টাইফুন পারবে তার পরিপক্ষকে হারাতে ? [Eurofighter Typhoon In Asian sky]

এশিয়ার আকাশে ইউরোফাইটার টাইফুন পারবে তার পরিপক্ষকে হারাতে ? [Eurofighter Typhoon In Asian sky]
ক্রেডিটঃ https://en.wikipedia.org


এশিয়ার আকাশে ইউরোফাইটার টাইফুন পারবে তার পরিপক্ষকে হারাতে ? [Eurofighter Typhoon In 
Asian sky]


ইউরোফাইটার টাইফুন [Eurofighter Typhoon] একটি অসাধারণ ৪.৫ জেনারেশন ফাইটার প্লেন যেটাকে তুলনা করাহয় ফ্রেঞ্চ রাফাল ও আমেরিকান  F১৮ সুপার হর্নেটের সঙ্গে অনেকদিন অনেক গুঞ্জন শোনা যাচ্চে এশিয়ার অনেক দেশ এই প্লেনটিকে তাদের বহরে যুক্ত  যেমন ইন্দোনেশিয়া,মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম এবং সম্প্রতি বাংলাদেশের নামও উল্লেখ করা হয়েছে।  


ইউরোফাইটার টাইফুন কনসোর্টিয়াম ইউরোপের দেশগুলির যোগদান সবথেকে বেশি যথা ইতালি এলনিয়া আরমেচি, ইউরোপ এয়ারবাস, ও ব্রিটেনের BAE কোম্পানির যথাক্রমে ফ্রান্স এই প্রজেক্ট থেকে বেরিয়ে আসে এবং তাদের একটি নতুন ফাইটার প্লেন ডিজাইন করেন নাম রাফাল। 


ইউরোফাইটার টাইফুন প্রথম সার্ভিসে আসে ২০০৩ সালে এবং প্রধান ব্যবহারকরি দেশ হিসাবে U.K, জার্মানি,ইতালি, অস্ট্রিয়া, স্পেন, এবং সৌদিআরব ও ওমানকে এই ফাইটার প্লেন রপ্তানি করা হয়। 


এই ফাইটার প্লেনটি সত্যিকার অর্থে প্রমান করেছে এটা সক্ষম তার রোল বা ভূমিকা পালন করতে কিভাবে ?২০১১ তে ব্রিটিশ এয়ারফোর্স এই প্লেনটিকে লিবিয়াতে গাদ্দাফি ফোর্সের বিরুদ্বে ব্যবহার করেন গ্রাউন্ড এট্যাকের জন্য যেটার নাম রাখা হয় ইলমি, পাশাপাশি ইতালিয়ান টাইফুন গুলি অংশগ্রহণ করেন এই অপরেশনে।  

আরো পড়ুন : কূটনীতি কি ? [All About Diplomacy]

এশিয়ার কোনো দেশ আগে কখনো ইউরোফাইটার টাইফুন সার্ভিসে আনেনি তার মানে এটানয় টাইফুন একটি অসফল ফাইটার জেট এশিয়ার মার্কেটে, কিছু কিছু এশিয়ান দেশ শোনাযাচ্ছে ইউরোফাইটার টাইফুন কিনতে পারে তাদের F5-S, ও MIG-29 কে রিপ্লেস বা পরিবর্তন করতে, ইউরোফাইটার টাইফুনের প্রতিপক্ষ মানা হয় SU-30, SU-35, RAFAL,F-18 SUPER HORNET, F-15 ইত্যাদি যদি আপনি দেখেন ওপরের উলেখ্য করা ফাইটার গুলি অনেক দেশ এশিয়ার ব্যাবহার করে

Post a Comment

0 Comments